• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
Headline
এমপি মুহাম্মদুল্লাহর লোকজন মুরগি জবাই করে রক্ত নিজের শরীরে লাগিয়ে বিএনপির ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার। ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিন পেলেন ভোলাহাটে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময় ভোলাহাটে ৯৮ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ সিরাপসহ শীর্ষ মাদক কারবারি আটক থানায় ঢুকে ওসির চেয়ারে বসে পড়লেন এমপি, ভিডিও নেট দুনিয়াই ভাইরাল ভোলাহাটে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণের উদ্বোধন জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলামকে উদ্দেশ্যে করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্টিমেটাম দেয়ার জায়গা রাজপথ, সংসদ নয়। উত্থাপিত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য আলাপ হচ্ছে এখানে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশের ঝটিকা অভিযান: সড়কে স্কুলছাত্রী ইভটিজিংকারী এবং হেনস্তাকারী তরুণ গ্রেফতার। এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব, আগামীকাল হতে পারে সেই রাত: ট্রাম্প

আগের পোশাকে ফিরতে চায় পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের ‘খাকি’ পোশাক পরিবর্তন করে নতুন ইউনিফর্ম প্রবর্তনের সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।

Reporter Name / ২৭৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
Oplus_131072

স্টাফ রিপোর্টার:
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দীর্ঘদিনের খাকি যে পোশাকটি ছিলো তা ২০০৩-২০০৪ সালের তৎকালীন সরকার একটি গঠিত কমিটির মাধ্যমে দীর্ঘ যাচাই বাছাই অন্তে ঐ সময় বাংলাদেশের পুলিশের চাকুরিতে কর্মরত ব্যক্তিদের গায়ের রং, আবহাওয়া, রাত্রি ও দিনের ডিউটিতে সহসায় চিহ্নিত করা যায় এবং অন্য যে কোন বাহিনীর সাথে যেনো সাদৃশ্য না হয় এসকল বিষয় বিবেচনা করেই নির্ধারন করেছিলেন।

অ্যাসোসিয়েশন অভিযোগ করেছে, অন্তবর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করে যে নতুন পোশাক নির্বাচন করেন, সেখানে পুলিশ সদস্যদের গায়ের রং, আবহাওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করেই কোনরূপ জনমত যাচাই-বাছাই ছাড়া অন্য যে সকল সংস্থা ইউনিফরম পরে থাকেন তাদের সাথে হুবহু সাদৃশ্য রয়েছে এমন পোশাক নির্বাচন করেন। ফলশ্রুতিতে পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পরে মর্মে মাঠ পর্যায় থেকে মতামত তুলে ধরা হয়। বিষয়টি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের গোচরীভূত হয়েছে।

‘বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছে যে, বাহিনীর বেশীরভাগ সদস্যই তড়িঘড়ি করে নেয়া এই পরিবর্তনের পক্ষে নন। বরং তারা বর্তমানে পরিহিত পোশাকটিকে বাংলাদেশ পুলিশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক হিসেবে মনে করেন।’

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রায় সকল সদস্য এই পোশাক পরিহিত অবস্থায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে সকলের কাছে প্রশংশিত হয়েছে।

অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে অ্যাসোসিয়েশন জানায়, পোশাক পরিবর্তন একটি বিশাল ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। যা বর্তমানে দেশের অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ নতুন পোশাক তৈরীর পরিবর্তে বাহিনীর আধুনিকায়ন, থানা পর্যায়ে যানবাহন সরবরাহ ও লজিস্টিকস্ সাপোর্ট বৃদ্ধি করাই অধিক যুক্তিযুক্ত হবে। পোশাকের রঙ বা নকশা নয় বরং পুলিশ সদস্যদের মন মানসিকতার পরিবর্তন, মনোবল এবং পেশাদারিত্বের উন্নয়ন করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পরিশেষে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সরকারকে অনুরোধ জানিয়ে বলে, পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি যেন পূনর্বিবেচনা করে তা আরও অধিক গবেষণা ও জনমত যাচাইকল্পে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যের আবেগ ও বাস্তবসম্মত দিকগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়।
সূত্রে কালবেলা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category