চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ছেলে মইন উদ্দিন জামান রনি বাংলাদেশে একটি নজির সৃষ্টি করলেন।
বাংলাদেশে যা কখনো কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি মইন উদ্দিন জামান রনি তালপুকুর, দক্ষিণ নওদাপাড়া, বোয়ালিয়া, রাজশাহী শহরে শিয়ারের মধ্যে একটি ১২ তলা ফ্লাইট বানিয়েছিলেন যৌথ আবাশন, রনির ফ্লাইটি ছিলেন ৪ তলায় তার এই ফ্লাইটি ছিলেন ১৭০০ স্কায়ার ফিট ফ্লাইটিতে সব মিলিয়ে খরচ হয়ছেন প্রাই ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা মতো। ফ্লাইটের প্রথম শিয়ার হোল্ডার ছিলেন মইন উদ্দিন জামান রনি গত ২৮-০৭-২০২৬ ইং তারিখে তিনি তার নিজ ইচ্ছাই ফ্লাইটি বিক্রিয় করেছেন এলিন এন্টারপ্রাইজের কাছে যার বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লক্ষ টাকায়। মইন উদ্দিন জামান রনি কিছু টাকা, বাংলাদেশ ইসলামি ব্যাংক থেকে প্রাই ৭০ লক্ষ টাকা রিন নিয়ে বাসাটি তৈরি করেছিলেন। বাসাটি বিক্রি করে বাংলাদেশ ইসলামি ব্যাংকের রিন পরিষদ করেলেন এবং বাকি ৫২ লক্ষ টাকা মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমদের মাঝে এবং কিছু টাকা যাদের বাড়ি নেই ঘর নেই তাদের মাঝে সকল টাকা বিলিয়ে দিলেন।মইন উদ্দিন জামান রনিকে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে আপনি সব টাকা বিলিয়ে দিলে আপনার ছেলে মেয়ের জন্য রাখবেননা। তিনি উত্তর বল্লেন আমি চাকুরী করি আমার বাবার সম্পাদ আছেন তারা সেটা নিয়ে সনষ্টুত থাকবেন আমি চায়না কষ্টো করে কিছু রেখে যেতে মৃত্যু পর কবরে আমি কি নিয়ে যাব যদি আমার এই দানের মধ্যেমে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা। তিনি আরো বলেন জীবনে টাকা পয়সা কিছুই না যদি সুখ শান্তি সঠিক ভাবে না পায়।তবে রনি আরো বলেন আমি প্রতি বছর প্রাই ১০০ টির উপরে গরিবদের মাঝে পবিত্র কুরআন শরীফ কিনেদি আমি যতদিন বাচবো এমন কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।
পুরো রাজশাহী শহর জুড়ে এখন শুধু একটি কে সে এই মইন উদ্দিন জামান রনি, এর ধরনের ঘটনা আজ পযন্ত বাংলাদেশ কখনো ঘটেনি যা রনি করে দেখিয়েছেন। শহর জুড়ে সুধু একটি নাম রনি। মইন উদ্দিন জামান রনি একজন মধ্যে বিত্ত পরিবার সন্তান তিনি আরো বলেন আমি কখনো কাউকে বীপদে ফেলে যায়না আমার এটা করার পিছনে একটি কারণ ও আছেন যেটি আর বলতে চায়না তবে এতোটুকু বলতে চায় কখনো কাউকে মন থেকে ভাল না বাসায় ভাল।
সর্বশেষে রনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ যানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন