• রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
ভোলাহাটে কৃষ্ণপুর রয়েল যুব সংঘের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ভোলাহাট জামবাড়িয়ায় বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার মিছিল শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার সব ওয়াজ মাহফিল স্থগিত আমির হামজার প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পায়নি অধিদপ্তর। এরফান গ্রুপের পণ্য এরফান চিনিগুঁড়া সুগন্ধি চাল-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল তাসনিয়া ফারিন। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে প্রস্তুত ৩,২১১ জন উপজেলা আনসার প্রশিক্ষক ও নবীন সৈনিক: প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্যের অংশগ্রহণের নতুন রেকর্ড প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের পর কী করবেন তা জানালেন উপ প্রেসসচিব জম্মু-কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণরেখায় ফের উত্তেজনা, আকাশে ‘পাকিস্তানি ড্রোন’

পিতার সম্পত্তি এক সন্তানের নামে হলে বাকি সন্তানদের করণীয়

স্টাফ রিপোর্টার মো:মইন উদ্দিন জামান / ৩৪৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি জীবিত থাকা অবস্থায় নিজের সম্পত্তি যাকে খুশি তাকে দিতে পারেন। তবে সেটা করতে হবে বৈধ ও সঠিক পদ্ধতিতে।

চলুন বিষয়টি ভাগ করে দেখি:

১) যদি মৃত্যুর আগে সম্পত্তি ওসিয়ত করা হয়:
যদি সাদা কাগজ বা নন-রেজিস্টার্ড দলিল হয়:

সাদা কাগজ, সাধারণ নোটারী, স্ট্যাম্প বা অরেজিস্টার্ড কোনো দলিল কোনো মালিকানা তৈরি করে না।
এসবের ভিত্তিতে মালিকানা দাবি করলে বাকি ওয়ারিশরা সহজেই মামলা করে বাতিল করতে পারেন।
২.জরিপ (খতিয়ান) বা রেকর্ডে নাম তোলা:

জরিপে নাম থাকলেই মালিক হওয়া যায় না।
এটি শুধু প্রাইমাফেসি প্রমাণ।
অন্য ওয়ারিশরা চাইলে বাটোয়ারা মামলা করে নিজেদের অংশ পেতে পারেন।
৩.যদি হেবা বা সাবকবলা (বিক্রয়) রেজিস্ট্রি করা হয়:
পিতা জীবদ্দশায় রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে যদি হেবা বা বিক্রয় করেন, সেটা পূর্ণ বৈধ।
এ ক্ষেত্রে বাকি সন্তানেরা আইনগতভাবে বাধা দিতে পারবেন না।
৪.মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত্যুর আগে সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ ওসিয়ত করা যায়।
১/৩ এর বেশি অংশ অন্য উত্তরাধিকারীদের অনুমতি ছাড়া ওসিয়ত করলে, তা বৈধ নয়।
বঞ্চিত সন্তানরা আদালতে চ্যালেঞ্জ করে নিজেদের অংশ ফিরিয়ে আনতে পারেন।
বঞ্চিত সন্তানের করণীয় ধাপে ধাপে:

১. ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করুন।
২. সব ওয়ারিশের নাম থাকতে হবে।
৩. রায়ের ভিত্তিতে নামজারি ও রেকর্ড সংশোধন করুন।
৪. বাটোয়ারা মামলা দায়ের করুন।
৫. একজন দক্ষ সিভিল লইয়ারের সাথে পরামর্শ করুন।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

ভুল তথ্য বা অরেজিস্টার্ড কাগজপত্রের ওপর ভরসা করবেন না।
কোনো চাপ বা প্রতারণার শিকার হলে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নিন।
সম্পত্তি বণ্টনের আগে বা পরের কোনো কাজ করার আগে অবশ্যই একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category